Yes finally it’s been a Month!

It was 29th Mar, 2019 7:30 AM when I arrived in Munich International Airport for first time also it was first arrival ever in my life somewhere else from my home country Bangladesh. It was a flight with Singapore Airlines, previously I had no experience of any airlines services, I choose this only for 2 reason, first one is 30% around discounted ticket and another is to see the world most beautiful Changi Airport Singapore. That costs me 23 hours of journey where if I choose some others then the usual flight duration could be only 14 hours!

The first day here in Einsteinstraße München, was a bit learning and knowing each stuffs. Whatever I see and noticed almost everything is new! Faisal Ibrahim one of my ex-colleague from Aan-Nahl Software Limited he came here in this city 15 days before my arrival. and on the first day he came to visit me in my apartment. That was really helpful for me, Thanks Faisal bro again. Still now when I am writing this article I am waiting for you 🙂 to have a Khuchuri lunch together!

I leave my home village on 2001 right after my S.S.C exam. It’s around 18 years now, but it was in same country and just a division distance, and now this case it’s another Country and it’s around 7,287 km distance!! So it’s not possible for me to move anytime I want 🙁

While I was in my home country I had really a Luxurious, Easy and Family life. As a Senior Software Engineer with 12+ years of experience it was really easy for me to live in any standard. On top of everything the only issue I was facing the security of my and my family, however Alhamdulillah Allah gave me a chance to change it, that’s why I am here to find a secured and healthy life.

Yeah, I always find myself a bit introvert, even when I was in my home country. I don’t talk first, I don’t make friends first but I look for, whenever I find it’s good to go with I do it. Though it’s a bit time consuming and in some cases I find the other person already started thinking negative about me.

Here in Munich, for at least first 15 days I was feeling too much home sick, too much alone 🙁 It’s not only me, was feeling it’s everyone alone here. They only talk whenever it’s required, they walk whenever there is a reason, they start talking to the point, with no introduction of anything. I was feeling like no this is not for me, this culture is not for me, I didn’t find any reason why I am here 🙁

To find a solution I started talking a lot of my friends who already abroad for a longer time and family members. Everyone was saying like at-least stay for a couple of months so that you know if it is really what you are feeling now. Otherwise you might find guilty when you back here. Then later performed 2 time Istikharah salah and In a result I settled my mind to stay here 🙂 Now, it’s all easy for me. The things I was feeling not for my first few days now I find it’s for me 🙂

Now, I am enjoying staying here, now I can move around without any help. Also found a couple of Asian shops which all are full of Asian foods and stuff. It’s already been a month, expecting to visit my home within next 4/5 months.

Thanks for reading!

আমি এখন টেপ এর পানি না ফুটিয়ে পান করি!

ঢাকায় প্রথম থাকা শুরু করি ২০০৮ এর জানুয়ারি থেকে, শুরু থেকে ই বাসায় পানি ফুটিয়ে ফিল্টার করে পান করতাম যদিও পরিশুধন এর কাজটা প্রথমে কাজের খালা করতো আর পরে বউ করতো, পানি ফুটানো এর ঝামেলা নিজে তেমন নেই নাই, আর কখনো বুঝতাম ও না, তাছাড়া একরকম জন্মগত ভাবে ই মনে হত টেপ এর পানি কি আবার খাওয়া যায়? দেশের টপ লেভেল শিক্ষা গ্রহণ করেও নিজের এই অধিকারটার কথা কখনো মাথায় আসেনি যদিও কত বড় বড় কম্পিউটার প্রব্লেম / প্রোগ্রাম সল্ভ করলাম / লিখলাম জীবনে । কিন্তু জীবনে একবার এর জন্য ও মনে হয় নাই টেপ এর পানি কোনরকম পরিশুধন না করে খাওয়া যায় । ঢাকার জীবন (স্পষ্ট করে “ওয়াসা”) আমাকে এমন শিক্ষা ই দিয়েছে যে নিজের গ্রামের বাড়ী কুমিল্লা এর বানাশুরা গিয়েও কখনো টেপ এর পানি এমনি পান করি নাই, টিওব-ওয়েল এর পানি পান করতাম অথবা ডাইরেক্ট মটর এর ।

এখানে জার্মানি আসার দিন প্রথম এ পানি পান করতেছিলাম না, ভাবতেছিলাম পরে ব্যবস্থা করবো, আপাতত বাইরে থেকে মিনারেল কিনে নিব কয়েকদিন এর জন্য, পরে যখন Faisal Ibrahim ভাই রুম এ আসলো বিকালে, তখন উনি বললেন টেপ এর পানি খাওয়ার যাবে, উনি নিজে খেয়ে ও দেখালেন, তাতেও নিশ্চিত হতে পারছিলাম না, যদিও ভয়ে ভয়ে খেয়েছি, ভাবতেছিলাম উনি হয়তো আমার মত এত কেয়ারিং / সতর্ক না অথবা অবিবাহিত তাই । পরের ২য় দিন যখন অফিস এ দেখালাম সবাই টেপ এর পানি পান করে তখন নিশ্চিত হলাম । আর আমিও নিশ্চিন্তে টেপ এর পানি পান করে যাচ্ছি এখানে ।

যদিও আমি ফেইসবুক এ তেমন একটিভ না, তাছাড়া সকল রকম নেগেটিভ খবর এড়িয়ে চলি পড়তে চাইনা, শেয়ার করি না, ইদানীং কিছু খবর দেখে মাথায় আসল, আমাদের দেশে পানি নিয়ে এই সমস্যা এর একটা সমাধান হয়তো সরকার অথবা জনগণ করতে যাচ্ছে, তাই লিখলাম, ভাবলাম তাদের বোঝার সুবিধার্থে অথবা আমার মত যারা ভাবে তাদের ভুল ভাঙ্গানুর জন্য। দোয়া করি এক এক করে দেশের সকল সমস্যা এর সমাধান আসুক ।

সবাই ভাল থাকুন, ভালবাসা অবিরাম! সুদূর জার্মানি থেকে।